১০০+ মির্জা গালিব এর শায়েরী - মির্জা গালিব এর উক্তি প্রেম বিচ্ছেদ জন্ম মৃত্যু শুনুন
আপনি কি মির্জা গালিব এর শায়েরী বা বিখ্যাত মির্জা গালিব এর উক্তি খুঁজছেন? তাহলে দেখে নিন আজকের আর্টিকেলটি থেকে মির্জা গালিবের সকল আকর্ষণীয় উক্তি ও শায়েরী।
আজকের এই পোস্টটিতে উপস্থাপন করা হবে, মির্জা গালিবের প্রেমের উক্তি, মির্জা গালিব এর উক্তি মৃত্যু নিয়ে। এছাড়া গালিবের সেরা উক্তি গুলো জেনে নিন।
পোস্ট সূচিপত্রঃ ১০০+ মির্জা গালিব এর শায়েরী - মির্জা গালিব এর উক্তি প্রেম বিচ্ছেদ জন্ম মৃত্যু শুনুন
মির্জা গালিব এর শায়েরী দেখুন
মির্জা গালিব এর শায়েরী দেখুন যা দেখে ও পড়ে আপনি মুগ্ধ হবেন। আপনাদের সুবিধার্থে বিশেষ করে যারা শায়েরী প্রিয় তাদেরকে এই আকর্ষণীয় বিখ্যাত শায়েরী গুলো দেখার জন্য অনুরোধ রইল যা দেখে আপনার মন ভালো হবে এবং আপনার মনের মধ্যে শান্তি বিরাজ করবে।
১। জী ঢুন্ডতা হ্যায় ফির ওহী
ফুরস্তকে রাত দিন,
বৈঠে রহে
তসৌবুরে
জানা কিয়ে হুয়ে ৷।।
(হৃদয় আবার খুঁজে ফেরে ছুটির
সেই রাতদিন,
নিজেকে হারিয়ে বসে থাকতাম যখন প্রিয়ার ভাবনায় ৷)
২। ইশ্ক মুঝকো নহীঁ,
বহশত্ হী সহী
মেরী বহশত্,
তেরী
শোহর্ত হী সহী ৷।।
(প্রেম যদি একে না-ই বলো, পাগলামিই মানি ৷
আমার
পাগলামি – তোমার খ্যাতির কারণ,এ কথাও মানি ৷)
৩। মাঙ্গে হ্যায় ফির কিসিকো
লবে বাম পর হওবস,
জুলফে সিয়াহ
রুখপে
পরেশো কিয়ে হুয়ে ৷
(মন চায় আবার কারোকে, ঠোটের কোণে
জমে থাকা
কামনায়,মুখের পরে যার অন্ধকারের খেলা
কালো
কেশরাশির উচ্ছসিত খেয়ালীমায় ৷)
৪।দেখনা কিসমত্,
কি আপ আপনেপে রশ্ক আ যায়ে হ্যায়,
ম্যাঁয়
উসে দেখু,
ভলা কব্ মুঝসে দেখা যায়ে হ্যায় ...।
(নিজের
ভাগ্য দেখে আমি নিজেই জ্বলে যাচ্ছি ঈর্ষার
আগুনে ৷ তাকে দেখবার অনুমতি
পাব, কবেই বা
আমি প্রস্ত্তত ছিলাম এমন ভাগ্য দর্শনে ?)
৫।
জান তুম পর
নিসার করতা হুঁ,
ম্যাঁয় নহীঁ জানতা,
দুয়াঁ
ক্যা হ্যায়।। ৷
(আমার এ প্রাণ উৎসর্গীকৃত তোমাতেই ৷ তবে জানিনা
আমি
সে পূজা, প্রার্থনা নিবেদন করতে হয় কি করে ৷)
৬। জিকরো উস্ পরীওয়াস্-কা
অওর ফির বয়াঁ আপনা,
বন গয়া
রকীব আখির
থা যো রাজদাঁ আপনা ৷
(কথা সেই রূপসীর আর বলার
ধরণ আমার-শেষ
পর্যন্ত শত্রু হয়ে গেল তারা, এতদিন যারা মিত্র ছিল আমার
৷)
৭। আখঁ কী তসবীর সরমানেপে
খেচী হ্যায়, কি তা,
তুম পেখুল
জাবে,
কি ইসকো হসরতে দীদার হ্যায় ৷
(তোমার লজ্জত আঁখির সে
ছবি এমনই তুলে নিয়েছি
আমি আমার মানসপটে যাতে তুমি জানতে পারো
সে
ছবি দর্শনের কেমন অভিলাসী আমি ৷)
৮। ইয়ে হম যো হিজরোমে
দীবারো-দরকো দিখতে হ্যায়
কভী সবা
কো
কভী নামাবরকো দেখতে হ্যায় ৷
(তার বিরহদশায় শুধু দেওয়াল
আর দরজার দিকে
আমার দি কেটে যায় ৷ কখনো পূবালী বাতাস স্নিগ্ধ পরশে
তার
বারতা বয়ে নিয়ে আসে ৷ কখনো পত্রবাহকেই ফিরে
আসতে দেখি যেন ৷)
৯। কভী নেকী ভী উসকে জী মে
গর আ যায়ে হ্যায় মুঝসে,
জঁফায়ে
করকে আপনী ইয়াদ
শরমা যায়ে হ্যায় মুঝসে ৷
(আমার ভালো করার
ইচ্ছাও যদি কখনো তার মনে
আসে নিজের পূর্ব্বকৃত নিষ্ঠুরতার কথা স্মরণ
করে,
লজ্জায় তার মুখ রাঙা হয়ে ওঠে ৷)
১০। দিল হী তো হ্যায়
না সঙ্গোঁ-খি
দর্দসে ভর না যায়ে কিঁউ
রোয়েঙ্গে হম
হজারবার
কৌই হমে সতায়ে কিঁউ ?
(এ-তো একটা হৃদয়ই, ইঁট-পাথর
তো নয়,
তাহলে বেদনায় ভরে উঠবে না কেন ? কাদঁবো আমি
হাজারবার
তবু কেউ আমায় এমন কাঁদাবে কেন ?)
আপনি এই ধরনের আরো অনেক সুন্দর শায়েরী ও উক্তি পেতে পারেন। অনেকেই আছে যারা তাদের মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন শায়েরী খুঁজে থাকেন। তাদের জন্য এগুলো বেশী পছন্দ হতে পারে। আবার আপনি চাইলে বিখ্যাত গালিব এর কিছু উক্তি পেতে পারেন যা আপনার জন্য অনেক ভালো হবে।
আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো পোস্টের তালিকা
মির্জা গালিব এর উক্তি জেনে নিন
মির্জা গালিব এর উক্তি যা জেনে আপনি আপনার মনের ভাবের সাথে মিল রেখে, বিভিন্ন সোশাল মিডিয়াতে প্রকাশ করতে পারেন। আবার অনেকই আছে যারা প্রেমের প্রকাশ করার জন্য এই বিখ্যাত মানুষ গুলোর উক্তি ব্যবহার করে। তাই এমন কিছু গালিবের বিখ্যাত উক্তি দেখে নিতে পারেন।
ভুলে যাবার আগে মনে রেখো
মানুষ হওয়া সহজ, মানবিক হওয়া কঠিন।
হৃদয় তো পাথর নয়—ব্যথায় ভরে উঠবে না কেন?
প্রেম এমন আগুন—জোর করে জ্বলে না, জোর করে নেভেও না।
হাজার ইচ্ছা—অনেক পূরণ হয়, তবু অপূর্ণই থেকে যায়।
জানি জান্নাতের সত্য—তবু মনকে সান্ত্বনা দিতে এই কল্পনাই সুন্দর।
হৃদয়ের দুঃখ কাকে বলব—কিছু প্রেমের, কিছু ভাগ্যের।
প্রেম গালিবকে অকর্মা বানিয়েছে—নইলে সেও কাজের মানুষ ছিল।
হে অবুঝ হৃদয়, তোমার এই ব্যথারই বা ওষুধ কী?
সব কাজ সহজ নয়—মানুষ হওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন।
অস্তিত্বই আমাকে ডুবিয়েছে—না থাকলে কী হতো!
কোনো আশাই পূর্ণ হয় না—কোনো পথও দেখা যায় না।
তোমার দৃষ্টি হৃদয় ছুঁয়ে আত্মা পর্যন্ত পৌঁছে গেল।
প্রিয়ার মিলন আমাদের ভাগ্যে ছিল না—জীবনটা অপেক্ষাতেই কেটেছে।
দুঃখের রাত—এক অসহনীয় অভিশাপ।
আমরা আগ্রহী, সে উদাসীন—হে ঈশ্বর, এ কী গল্প!
প্রেমে জীবন-মৃত্যুর ভেদ নেই—যার জন্য প্রাণ যায়, তার জন্যই বাঁচি।
হৃদয় ভাঙবেই—কারণ সে পাথর নয়।
একটি দীর্ঘশ্বাসের প্রভাব ফেলতেও লাগে পুরো জীবন।
স্থিরতা ছাড়া বিশ্বস্ততা অর্থহীন।
তুমি অবহেলা করবে না জানি—কিন্তু জানতেই আমরা ধ্বংস হয়ে যাব।
জীবনের দুঃখের একমাত্র চিকিৎসা—মৃত্যু।
জান্নাতের গল্প ছেড়ে দাও—আমাদের প্রেমই যথেষ্ট।
মনকে বাঁচিয়ে রাখার একমাত্র উপায় — ভ্রমও হোক।
তোমার প্রশ্নেই প্রশ্ন — এর শেষ কোথায়?
ফেরেশতাদের লেখায় ধরা পড়ি — আমাদের নিজের কণ্ঠ কি ছিল না?
নিজের ভণ্ডামি নিয়ে প্রশ্ন তোলা আত্মসমালোচনা।
জানি জান্নাতের সত্যতা — তবু মনকে সান্ত্বনা দিতে এই ভাবনাই সুন্দর।
হৃদয়ের অভিযোগ কাকে বলব—কিছু প্রেমের, কিছু ভাগ্যের।
প্রেম গালিবকে অকর্মা বানিয়েছে—নইলে সেও কাজের মানুষই ছিল।
সবকিছু সহজ হওয়া কঠিন—মানুষের পক্ষেও মানুষ হওয়া সহজ নয়।
ভবিষ্যতের চিন্তা নিয়ে অতীতের স্মৃতি এক আজাব:
হে আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তি
কেড়ে নাও!”
আমরা সবাই শায়েরী সুনতে বা বলতে ভালোবাসি তাই এই শায়েরী গুল দেখালাম যাতে আপনি আপনার পছন্দ মত শায়েরি ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার জন্য অনেক উপকারী। বর্তমানে নেটওয়ার্ক এর জামানা সবাই বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে।
মির্জা গালিব এর প্রেমের উক্তি দেখুন
মির্জা গালিব এর প্রেমের উক্তি জেনে নিন। ভালোবাসার মানুষের সাথে অনেক কথা বলার থাকে আর সেই কথাই যদি থাকে মির্জা গালিবের উক্তি তাহলে তো জমেই যায়। তাই দেখুন সেই বিখ্যাত মির্জা গালিবের বিখ্যাত উক্তি।
”যদি এখানে কোনো ভাষাবিদ থাকে, তাকে ডেকে আনো — শহরে একজন অপরিচিত এসেছে,আর তার বলার মতো অনেক কিছু আছে।
*ভালোবাসা চায় ধৈর্য, আকাঙ্ক্ষা চায় অস্থিরতা — হৃদয়কে কী রঙে রাঙাবো, যতক্ষণ না তুমি তাকে ছিন্নভিন্ন করো?
*যে প্রতিটি খণ্ডে সম্পূর্ণতা দেখতে পায় না,সে অন্ধকারে খেলছে।এক জ্ঞানী প্রতিটি চুমুকে টাইগ্রিস নদী স্বাদ নেয়।
*কান্না ও প্রেমে আমরা নির্লজ্জ হয়েছি,এমনভাবে ধুয়ে গেছি যেন পবিত্র হয়ে গেছি।
*এই পৃথিবী, যে প্রেমের নাম শুনে উজ্জ্বল হয়,এতটাই নিশ্চিত ভালোবাসা নিয়েযে আকাশও তার নিজের আলোকে অভিবাদন জানাতে নিচে নেমে আসে।
*জান্নাতে যদিও আমি সূর্যোদয়ের সময় কোরানে উল্লেখিত বিশুদ্ধ মদ পান করব,কিন্তু কোথায় পাবো সেই মাতাল বন্ধুদের সাথে রাতের হাঁটা,বা বর্ষার মাতাল ভিড়ের আনন্দ?
*পৃথিবী আমার চোখে বাচ্চাদের খেলার মাঠ,দিন - রাতের প্রতিটি ঘটনা কেবল এক প্রহসন মাত্র।
*সব কিছু সহজে চলে না,একজন মানুষ এমনকি মানুষ হওয়ার সামর্থ্যও রাখতে পারে না।
*সে আমাকে স্বর্গ ও পৃথিবী দিয়েছিল,ভেবেছিল আমি খুশি হবো;আসলে আমি বিতর্ক করতে লজ্জা পেয়েছিলাম।
*আমার উপাসনার বস্তু অনুভবের বাইরের জগতে — যারা দ্যাখে তাদের জন্য কাবা শুধুই একটি কম্পাস।
*আবার মন ছুটে যায় তোমার রাস্তায়!কিন্তু নিজেকে মনে করিয়ে দেই,সেখানেই তো হৃদয় হারিয়েছিলাম।
*চমৎকার ছিল এই প্রেম বাগানের প্রতি,কিন্তু এখন সেই ভালোবাসা নিজেই পাগলামি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
*তোমার অনুপস্থিতির অলৌকিকতা এই যে,তোমাকে খুঁজে বেড়াতে বেড়াতে আমি নিজেকে খুঁজে পেলাম।
*বিদায় ও পুনর্মিলনের মধ্যে একটি সুখ আছে — হাজার বার চলে যাও,তারপর দশ হাজার বার ফিরে এসো!
**”ঈর্ষা যদি হৃদয়কে বিষণ্ন করে তোলো,তবে দৃশ্যের মাঝে গা ভাসাও — হতে পারে, সংকীর্ণ চোখটি অপার সৌন্দর্যে প্রশস্ত হবে।
*সম্পূর্ণ আকাঙ্ক্ষা আমাকে একটি দাসে পরিণত করেছে — নইলে আমি তো ঈশ্বর ছিলাম যদি আমার হৃদয় দাবি থেকে মুক্ত হতো।
*কি আজব জীবন!একটা সন্ধ্যা কাটে না, অথচ দিব্যি বছর কেটে যায়।
আমি প্রেমিক, আর প্রতারণা আমার কাজ — লায়লা আমার সামনে মজনুকে খারাপ বলে।
পুরোনো দিনের লোক এরা, কিছু বলো না — যারা মদ ও সঙ্গীতকে দুঃখজনক বলে।
আকুলতা পর্যন্ত অভিযোগ করে হৃদয়ে — সমুদ্রের অস্থিরতা একটি মুক্তোয় আত্মস্থ হয়।
যাদের মনে আছে প্রেম, হৃদয়ে অনুভূতি তারা কখনো মানুষকে না ভালোবেসে থেকতে পারেনা। ইবাদাত করার জন্য আল্লহর ফেরেশতার অভেব ছিলোনা। তাই তিনি প্রেম করার জন্য এই মানুষকে বানিয়েছেন। আর তার সাথেই খেলা করে সর্বদা।
মির্জা গালিব এর উক্তি মৃত্যু নিয়ে
মির্জা গালিব এর উক্তি মৃত্যু নিয়ে যা মানুষকে সারা জীবন না দেখা এক ভয়ের মত করে রাথে। আর এই মৃত্যু নিয়ে আজকের উক্তি। এই উক্তি আপনাকে মৃত্যু হতে সচেতন কর। তাই দেখুন এই বিখ্যাত বানী যা মির্জা গালিব বলে গেছে।
- পায়ের এই ফোস্কা দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। পথ ভর্তি কাঁটা দেখে মন খুশি হয়ে গেল।
- দুনিয়ার এই ভয়ানক উজাড় মজলিসে প্রদীপের মতো আমি প্রেমের শিখাকেই আমার সর্বস্ব জ্ঞান করলাম।
- যখন দেখেছি তাকে আমি অন্য কারো সাথে, তখনই বুঝেছি খোদা শিরক কেন ক্ষমা করেন না।
- পৃথিবীতে পোশাকবিহীন এসেছিলে, হে গালিব! একটি কাফনের জন্য এত লম্বা সফর করলে!
- আমার আত্মার অবস্থান জানতে চেও না… নীরবতাই সব বলে দেয়।
- কেন বেঁচে আছো গালিব-এই প্রশ্ন অবুঝের আমার ভাগ্যে লেখা মৃত্যুর বাসনা নিয়ে আরো কিছু দিন বেঁচে থাকা
- তুমিও না গালিব খুবই চমৎকার! চাওয়া, পাওয়া, সব রাখলা মানুষের কাছে, আর অভিযোগ করো খোদার কাছে।
- আমি একবারই দুঃসাহস দেখাবো , যখন লোকেরা হেঁটে চলবে আর আমি (মারা যাবার পরে) লোকেদের কাঁধে চাপবো।
- আমার সামনে পৃথিবীটা যেন বাচ্চাদের খেলার মাঠ, প্রতিটা রাত্রি আর দিনে কেবল তামাশাই ঘটে যাচ্ছে।
- পৃথিবীর যত আয়োজন সবই প্রেমের জন্য প্রেমের আকর্ষনেই আসমান চক্রকারে ঘুরছে।
- যিনি আমাকে হিসেব ছাড়া দেন তাকে কেনো হিসেব ছাড়া ডাকবো!
- মৃত্যু কেন আসে না, গালিব! আর কতদিন বেঁচে থাকার জন্য আফসোস করে যাবো! একদিন মরার জন্য, কতদিন বাঁচতে হয়।
- জীবন তো এমনি কেটে যেত কেন যে পথে তোমার কথা মনে পড়লো?
- তসবি রেখে গালিব বলেন, ‘যিনি আমাকে হিসেব ছাড়া দেন তাকে কেন গুনে গুনে ডাকবো?
- হে জীবন, তোমার কাছে প্রচুর অভিযোগ আছে। কিন্তু, তুমি যা দিয়েছো আমাকে, বহুজনের ভাগ্যে সেটাও জোটে না।
- নিজের জীবন যখন এমনই বিবর্ণ, গালিব,
- কী করে যে ভাবি, একদা আমাতেই ছিল স্রষ্টার বাস?
- আমি এখন সেইখানে আছি, যেখান থেকে আমি নিজের খবরই আর পাই না।
- যখন দেখেছি তাকে আমি অন্য কারো সাথে, তখনই বুঝেছি খোদা শিরক কেন ক্ষমা করেন না।
- কিছুই যখন ছিল না, তো খোদা ছিল।
- কোনো কিছু না হলেও তো খোদা হতো।
- হয়ে যাওয়াই ডুবিয়ে দিল বন্ধু আমায়,
- নাই বা যদি হতাম কী ক্ষতি আর হতো?
- প্রেমে বাঁচা আর মরার মাঝে কোন তফাৎ নেই,
- কেনো তাকে দেখেই বাঁচি? যে অবিশ্বাসীর জন্য মরলাম!
আশা করি আপনি আপনার পছন্দের সব বিখ্যাত উক্তি গুলো জানতে পারবেন যা আপনাকে
আরো শক্তি শালি করে তুলবে। মনের জোর বাড়াতে হলে আপনাকে নিজের মনের ভাষা বুঝার
ক্ষমতা থাকতে হবে। মহব্বত কি শায়েরী মির্জা গালিব pdf সহ আরো সব শায়েরী
দেখুন।
মির্জা গালিব এর পরিচয় জানুন
যা আমাদের জানা উচিত বিশেষ করে যারা এই মির্জা গালিবের উক্তি ও শায়েরী পছন্দ করেন। এর পরিচয় দেখুন, মির্জা গালিব ১৭৯৭-১৮৬৯ সালের মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী উর্দু ও ফার্সি কবি। তিনি মূলত গজল গান, প্রেমের পত্র ও দর্শন এর গভীর ভাবকে ফুটিয়ে তুলে যা অনেক জনপ্রিয়।
-
জীবনের সকল আবেগ তার ভাষায় ফুলে ওঠে। তাই মির্জা গালিবের জীবনী ও কাজের
সংক্ষিপ্ত রূপ দেওয়া হলঃ
জন্ম ও নামঃ তাঁর পুরো নাম মির্জা আসাদুল্লাহ বেগ খান, গালিব নামে পরিচিত বেশি। ১৭৯৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর আগ্রায় জন্মগ্রহণ করেন।
সাহিত্যিক অবদানঃ গালিব উর্দু ও ফার্সি উভয় ভাষায় কবিতা লিখেছেন। তিনি উর্দু গজলকে বাস্তবমুখী, জীবনমুখী ও দার্শনিক রূপ দিয়েছিলেন তিনি মানুষের হৃদয়ে বাস করে।
শেষ মুঘল আমলঃ তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের পতন এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের উত্থান প্রত্যক্ষ করেছিলেন, যার ছাপ তাঁর কবিতায় পাওয়া যায়।
সভাকবিঃ তিনি শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের সভাকবি ছিলেন।
মৃত্যুঃ ১৮৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি দিল্লিতে মারা যান।
এই ছিল তার পরিচয় যা দেখে আমাদের সবাই তার খ্যাতি আসে তার মৃত্যুর পর। তিনি তার নিজের সম্পর্কে মন্তব্য করেছিলেন যে, তিনি বেঁচে থাকতে তার গুণকে কেউ স্বীকৃতি না দিলেও, এক সময় পরবর্তী প্রজন্ম তাকে স্বীকৃতি দিবে। ইতিহাস এর সত্যতা প্রমাণ করেছে।

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url