মার্কেটিং কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি উদাহরণ সহ জানুন

মার্কেটিং কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এই সকল বিষয়ে আজকের আর্টিকেলটিতে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তাই মনোযোগ দিয়ে পোস্টটি পড়ুন এবং জেনে নিন। 

 

মার্কেটিং কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি উদাহরণ সহ জানুন

আপনি আজকে বুঝতে পারেন মার্কেটিং কাকে বলে, ডিজিটাল মার্কেটিং কি? মার্কেটিং এর কাজ কি কি  এবং আরো যে সকল মার্কেটিং এর বিষয় রয়েছ। যেমন, এফিলিয়েট ব্লগ মার্কেটিং এগুলো সম্পর্কে আলোচনা করব। 

পোস্ট সুচিপত্রঃ মার্কেটিং কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি উদাহরন সহ জানুন

মার্কেটিং কি 

মার্কেটিং কি এ বিষয়টা আসলে আমাদের বিস্তারিতভাবে জানা উচিত। আসল অর্থে মার্কেটিং বা বাজারজাতকরণ হলো এমন একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে যেকোনো পণ্য বা সেবা গ্রাহকের কাছে তাদের চাহিদা অনুযায়ী পরিকল্পনা করা, মূল্য নির্ধারণ, প্রচার এবং তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। 

তাই মার্কেটিং এর মূল লক্ষ্যই হচ্ছে বিজ্ঞাপন ও তার প্রচার কিন্তু আক্ষরিক অর্থে মার্কেটিং এর একটি অংশ হচ্ছে প্রচার-প্রচারণা এর ব্যবসার জায়গা তৈরি করা। মার্কেটিং হচ্ছে প্রোডাক্ট এর মূল্য প্রচার প্রতারণা বা স্থান এদের সমন্বয়ে তৈরি একটি ব্যবস্থা। আর মার্কেটিং গঠনের দিক থেকে দুই প্রকার কিন্তু বর্তমানে মার্কেট অনুযায়ী এর অনেক ধরনের মার্কেটিং দেখা যায়। যেমন,

  • ট্রেডিশনাল মার্কেটিং 
  • ডিজিটাল মার্কেটিং 
  • ওয়ার্ড অফ মাউথ মার্কেটিং 

ট্রেডিশনাল মার্কেটিং কি সেটা একটু জেনে নিন

ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এমন একটি ব্যবস্থা এই ব্যবস্থা কে কয়েক দশক ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন, সংবাদপত্র রেডিও ব্যানার টিভি বিজ্ঞাপন ইত্যাদি মাধ্যমে প্রচার প্রসারণা প্রচলিত মার্কেটিং সিস্টেমকে বলা হয় ট্রেডিশনাল মার্কেটিং। এই ধরনের মার্কেটিং এ অফলাইন বা শারীরিক মার্কেটিং বেশি গুরুত্ব পেয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে এই মার্কেটিং এর চাহিদা অনেকটা একমুখী এই প্রক্রিয়ায় গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো বেশ কঠিন ও একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া।

ডিজিটাল মার্কেটিং 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর আবির্ভাব এর সাথে সাথেই সেক্টরগুলোতে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে। দেখা দিয়েছে নানান সম্ভাবনা এবং কর্মব্যবস্থার এক সুক্ষ অবস্থান। এটাকে আমরা ইন্টারনেট মার্কেটিংও বলতে পারি। অন্য কোথায় এই মার্কেটিং কে অনলাইন মার্কেটিং করতে পারি। আর যেহেতু এই মার্কেটিং ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে তাই এই মার্কেটিং ব্যবস্থাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। নিচে এর সুবিধা দেখুন।  

আরো পড়ুনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং a to z শিখে ঘরে বসে টাকা ইনকাম করুন 

  • ডিজিটাল মার্কেটিং একটি বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা 
  • ডিজিটাল মার্কেটিং এর খরচ তুলনামূলক অনেক কম 
  • সবচেয়ে বড় সুবিধা হল ক্রেতা নির্দিষ্ট করে দিতে পারা
  • সমস্ত ফলাফল সঠিকভাবে পরিমাপ করা যেতে পারে 
  • ইচ্ছেমতো পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে। 

এ সুবিধাগুলো ছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আমরা অনেক ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে পারি। যেমন, পেড ভার্শন বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার যা আমাদের ব্যবসাকে আরো উন্নত এবং দ্রুততার সাথে মানুষের সামনে পৌঁছায় দিতে সাহায্য করে।

ওয়ার্ড অফ মাউথ Word of mouth

এই মার্কেটিং মানুষের দ্বারা করে থাকে। এই উপায়ে যে মার্কেটিং ব্যবস্থার কথা বলেছি যেটাকে বলা হয় ওয়ার্ড অফ মাউথ মার্কেটিং। আমরা মুলত এই মার্কেটিং সম্পর্কে অনেকেই জানিনা, স্বাভাবিকভাবে না জানার কথা। কারণ এই মার্কেটিং ব্যবস্থাপনা মার্কেটের জন্য নতুন ও প্রবল সম্ভবনাময়। এ মার্কেটিং ব্যবস্থা অনেকটাই লাভজনক কারণ এই মার্কেটিং ব্যবস্থা অনুসরণ করে অনেক নতুন কোম্পানি খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। 

এই উপায়ে ইমার্জেন্সি ব্যবস্থা খুবই পরোক্ষভাবে তৈরি করা সম্ভব। তাই একজন গ্রাহক একটি পণ্য পছন্দ করে। আবার সেই পণ্য সম্পর্কে তার ব্যক্তিগত জীবনে তার কাছের মানুষের সাথে প্রকাশের মাধ্যমে চেনার ওকেনার উৎসাহ দেয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে মানুষের মাধ্যমে মানুষের কে কোন কিছুর অনুপ্রেরণা দিয়ে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ওয়ার্ড অফ মাউথ মার্কেটিং বলে। 

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন কিছু পোস্টের তালিকা

মার্কেটিং কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি বিস্তারিত 

মার্কেটিং সম্পর্কে বেসিক মতবাদগুলো ছিল মার্কেটিং কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদের সামনে এই তথ্য গুলো উপস্থাপন করেছি। কিন্তু এ পর্যায়ে আমরা জানবো ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর প্রকারভেদ এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রকারভেদ বিস্তারিত। প্রথমত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যা বলেছি, ট্রেডিশনাল বা ঐতিহ্যবাহী মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং। 

ট্রেডিশনাল বা ঐতিহ্যবাহী মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত 

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আসার পরে আগের যুগে যে পদ্ধতি মার্কেটিং করে তাকে ব্যবহার হতো সেটা ব্যবহার করা হয় না বা কম হয়। তাই ঐতিহ্যবাহী মার্কেটিং এর কিছু পরিচিতি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। 

  • প্রিন্ট মার্কেটিংঃ এ মার্কেটিং এর মাধ্যম হলো সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, লিফলেট বা পোস্টারের মাধ্যমে প্রচার। 
  • ব্রডকাস্ট মার্কেটিংঃ এটা হল টেলিভিশন ও রেডিওর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার মাধ্যমে যে মার্কেটিং হয়। 
  • বিলবোর্ড মার্কেটিংঃ বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে দেখা যায় রাস্তার পাশে বড় সাইনবোর্ড বা ফেস্টুনি ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন সম্পর্কে মানুষকে জানানোর জন্য ব্যবহৃত বিলবোর্ড মার্কেটিং। যেমন, জমি বিক্রির জন্য বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে এটা ব্যবহার করে। 

এছাড়া আছে ডাইরেক্ট মেল মার্কেটিং, কিছু সময় দেখা যায় সরাসরি চিঠি, ক্যাটালগ পাঠিয়ে গ্রাহকের সাথে যোগাযোগ করে মার্কেটিং করা হয় তাকে ডাইরেক মেল মার্কেটিং বলে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং প্রকারভেদ 

বর্তমান বহিঃ বিষয়ে এবং সকল ক্ষেত্রে ইন্টারনেট এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে অনলাইন ভিত্তিক পণ্য বা সেবার প্রচার করা হয় তাদের ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। এর কিছু প্রধান প্রধান ধরন রয়েছে যা নিচে দেখুন। 

  • এসইওঃ ইংরেজিতে SEO search engine optimisation. এই কাজ করা প্রয়োজন হয় যাকে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ইঞ্জিন বা কনটেন্ট প্রথম সারিতে দেখানোর কার্যক্রম করে। 
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংঃ ফেসবুক ইনস্টাগ্রাম লিংক বা টিকটক এর মত বিভিন্ন প্লাটফর্ম যেগুলোর মধ্যে আপনি খুব সহজেই আপনার বিভিন্ন বিজ্ঞস্পন প্রচারণা দেখাতে পারেন। 
  • কন্টেন মার্কেটিংঃ বর্তমান বিভিন্ন ব্লক ওয়েবসাইট বা মূল্যবান ব্লগগুলোতে ভিডিও বা ফটোগ্রাফি তৈরি করে গ্রাহকে আকৃষ্ট করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পূর্ণসেবা গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। 
  • ইমেইল মার্কেটিংঃ বর্তমানে একটি অন্যতম উপায় ইমেল মার্কেট মার্কেটিং এর মাধ্যমে গ্রাহকের অফার বা তথ্য সরাসরি ইমেলিং করে পাঠানো হয়। 
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অন্য কারো পণ্যের প্রচার করে গবেষণা অর্জন করার মাধ্যমে যে মার্কেটিং ব্যবস্থা রয়েছে তাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে এখানে আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট কোম্পানি বা ওয়েবসাইট এর সাথে কাজ করে দিয়ে, তাদের প্রতারণা করার মাধ্যমে, ও এই কমিশন আকারে মার্কেটিং এর টাকা পেতে পারেন। 

আপনারা যারা ডিজিটাল মার্কেটিং বা বিভিন্ন মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন, তারা এই পোস্টটি সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়লে আরও বিস্তারিত বিষয়গুলো বুঝতে পারবেন। চলুন পর্যায়ক্রমে সেই বিষয়গুলো জেনে রাখি যা আমাকে এবং আপনাকে বর্তমান যুগের মার্কেটিং সিস্টেম সম্পর্কে সঠিক পরামর্শ দেবে। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন 

আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান? তাহলে আজকের এই তথ্যগুলো আপনাকে বিশেষ কিছু ধারণা দিতে চলেছে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল এমন একটি অনলাইন ব্যবসাহিক প্রক্রিয়া, যা থেকে আপনি কোন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পণ্য সেবা প্রচার করে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন অর্জন করতে পারবেন। সহজ কথায় আপনি একজন বিক্রেতা ও ক্রেতার মাঝে ডিজিটাল ব্যবস্থাকারী হিসেবে কাজ করে টাকাটি অর্জন করবেন। এ প্রক্রিয়ায় মাত্র চারটি পদক্ষেপ থাকে সেই পদক্ষেপগুলো বিস্তারিত নিচে দেওয়া হল,

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
  • প্রথমত মালফ্রেন্ড পাব বিক্রেতাঃ অন্য কোম্পানি পণ্য বেচে, যেমন, আমাজান বা ব্রিস্টল শেয়ার এ সেল।
  • দ্বিতীয়ত এফিলিটি বা প্রোমোটারঃ এর অর্থ তিনি পূর্ণ প্রচার করে ক্রেতা নিয়ে আসেন। 
  • তৃতীয়তঃ ক্রেতা বা কাস্টমার জিনিয়াস এর লিংকে ক্লিক করে পণ্য কেনেন।

এবং আরেকটি হচ্ছে এফিলিয়েট নেটওয়ার্কঃ বিক্রেতা ও এফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাঠ যে সংযোগ স্থাপন করে প্ল্যাটফর্ম আর ট্রাকিং ও পেমেন্ট পরিচালনা করে। আপনি যদি এফিলিয়েড মার্কেটিং করতে চান? তাহলে নিজের ধাপ গুলো অনুসরণ করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই একটি ইনকাম ব্যবস্থা তৈরি করতে পারেন। 

এফিলিউট মার্কেটিং শুরু করার ধাপসমূহ 

নিশ (niche) নির্বাচন করে নিতে হবে। এটি এমন প্রক্রিয়া এখানে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া বলা হয় তা প্রথম ধাপ হিসেবে চিহ্নিত। আপনি যেই বিষয়টি নিয়ে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন। আপনার সংগ্রহ ও বাজার চাহিদার উপর ভিত্তি করে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নির্বাচন করুন। এবং সে বিষয়ে যেমন, প্রোডাক্ট, স্কিন কেয়ার, ফাইন্যান্স বা ট্রাভেল ইত্যাদি। 

এফিলিউট মার্কেটিং শুরু করার ধাপসমূহ

  • প্ল্যাটফর্ম বা মাধ্যম তৈরি করুনঃ আপনাকে যেই ট্রাফিক বা থিয়েটার আনবেন সেই ভিজিটরের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম বা মাধ্যম তৈরি করতে হবে। সেটা হতে পারে ব্লগার ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব বা বিভিন্ন মাধ্যমে। সেখানে পণ্য প্রচারের জন্য একটি ওয়েবসাইট ব্লগার ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনি পণ্যগুলো মানুষের কাছে পৌঁছাবেন। 
  • আফিলিয়াট প্রোগ্রামে যুক্ত হনঃ এই কাজটি সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংকিং লিংক পাওয়ার জন্য বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম, যেগুলোর মধ্যে রয়েছে, Amazon associates, impact, CJ affiliate,CJ and share a cell. এ ধরনের ইত্যাদি একাউন্ট তৈরি করে ট্র্যাঙ্কিং লিংক সংগ্রহ করুন। 
  • মানসম্মত কনটেন্ট তৈরি করুনঃ পণ্য রিভিউ, গাইডলাইন দেখে পন্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য, প্রোডাক্ট রিভিউ, তুলনামূলক বিশ্লেষণ বা ব্যবসার নির্দেশনা লিখে বা ভিডিও বানিয়ে তাতে অ্যাফিলিয়েট লিংক যুক্ত করুন। 

ট্রাফিক বিদ্রোহ কমিশন আইন করুনঃ এজন্য সেল থেকে ইনকাম করার মাধ্যমে আপনাকে যে কাজগুলো করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া প্রমোশন বা অর্গানিক  সার্চ  এর মাধ্যম। কেনাকাটা হলেই আপনি সেখান থেকে পাঁচ থেকে বিশ পার্সেন্ট পর্যন্ত পেমেন্ট পাবেন। অ্যাফিলিয়েট মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার নিচে কয়েকটি মাধ্যম দেখুন।

  • এখন pay per sale যা প্রতিটি সব ফুল পিঁপড়ে কাপড়ের উপর নির্দিষ্ট শতাংশ কমিশন। 
  • Pay per lead এটা কোন ফর্ম পূরণ সাইন আপ সফটওয়্যার ডাউনলোডের মত লিংক তৈরি করে এর উপর কমিশন। 
  • Pay per click ডার্লিং করে মার্চেন্টের সাইডে পাঠালেই প্রমোশন মিলে তুলনামূলক কম ব্যবহার হয় এই বিষয়টি। 
  • তবে আপনাদের সুবিধার্থে কিছু আন্তর্জাতিক জনপ্রিয় ফ্ল্যাট প্ল্যাটফর্ম এর নাম উপস্থাপন করছি। যেমন, আন্তর্জাতিক গুলোর মধ্যে রয়েছে, Amazon associate, clickbank, shareasale,CJ affiliate, impact. 
  • Bangladeshi, daraz affiliate, 10 minutes School affiliate, BD stall. 

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধাও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানাও উচিত। প্রকৃত অর্থে সুবিধা রয়েছে। যেমন,  নিজস্ব কোন পণ্য তৈরীর প্রয়োজন নেই, খুব কম পুজিতে শুরু করা যায় এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্যাসিভ ইনকামের উৎস। এছাড়া হতেই সাফল্য পেতে ধৈর্য লাগে সঠিক এসিও কন্টেন লাগে মার্কেটীং এর জ্ঞান থাকা প্রয়োজন এবং আর্নিং শুরু হতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি বিস্তারিত জানুন 

আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে এই বিষয়গুলো জেনে রাখুন। ইতিমধ্যে উপরে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করেছি। এখন আমরা জানবো বাস্তবা কিভাবে একজন মানুষ ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগাবে। নিজেরই চিত্র অনুযায়ী সেই কাজগুলো পরিচালিত হয়। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি

ডিজিটাল মার্কেটিং হলে একটি ইন্টারনেট ব্যবস্থা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করে কোন ব্যবসা ব্যান্ড পণ্য বা সেবার প্রচার চালানোকে বোঝায়। প্রধান উদ্দেশ্য হল সঠিক সময়ে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া এবং বিক্রি বৃদ্ধি করা। এছাড়া এর মূল কাজগুলো নিজে উল্লেখ করা হবে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর মূল কাজ সমূহ

১. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ বা SEO

গুগল বা অন্য আনন্য সার্চ ইঞ্জিনে কোন তথ্য লিখে সার্চ করলে যাতে আপনি ওয়েবসাইট বা বিজনেস প্রথম দিকে আসে সেই কাজটি যেইভাবে করা হয় তাকে এস ই ও বলে। কিওয়ার্ড রিচার্জ করা এর কাজ, ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট বা অপটিমাইজ করা এবং ব্যাকলিংক তৈরি করে অর্গানিক ফ্রি ট্রাফিক নিয়ে আসা। 

২. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব ও tiktok এর মত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যে প্রচারণা চালানো হয় তাকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। এর যে কাজ পোস্ট পেইজ ম্যানেজ করা গ্রাফিক্স ভিডিও পোস্ট করা, ফলোয়ারদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং পেইন্ট এড রান করা। 

৩. কন্টেন্ট মার্কেটিং 

পণ্য বিক্রি করার জন্য সরাসরি না বলে তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট তৈরি করার মাধ্যকে পণ্য সেল করা এর মূল বিষয়। এর কাজ হলো ব্লক পোস্ট লেখা ভিডিও স্পিড তৈরি করা গ্রাফিক্স বানানো এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় কপি লেখা। 

৪. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM/PPC)

গুগল ও অন্যান্য সাইঞ্জিন গুলোতে টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আপনি যখন গুগলের কিছু লেখা সার্চ করবেন, তখন যে সব ফলাফলের পাশে এড বা স্পন্সারের লেখা থাকে। সেগুলোকেই এই ধরনের সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং বলে। এই মার্কেটিংয়ের কাজ হল বাজেট সেট করা বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইন সেটআপ করা এবং বিজ্ঞাপনের পারফরম্যান্স ট্যাক করা।

৬. যেটা এনালাইটিক্স ও ট্যাংকিং 

এই মার্কেটিং চ্যাম্পিয়ন গুলো কেমন প্ল্যাটফর্ম করছে তা বিভিন্ন টুলের মাধ্যমে গুগল এর বিভিন্ন বিশেষ সফটওয়্যার যাতে অ্যানালাইসিস করা হয়। এবং এই সফটওয়্যারটির বিশেষ কাজ বিজ্ঞাপন থেকে কত টাকা লাভ সেল এলো বা কি পরিবর্তন হলো সেই বিষয়ে একটি হিসাব। 

সাধারণ ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়া দেখুন 

যেকোনো ধরনের মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে প্রথমে যে বিষয়টা নিয়ে মার্কেটিং করবেন তার বিষয়ে সম্পর্কে টার্গেট অডিয়েন্স খুঁজে বের করতে হবে এবং বাজার ও টার্গেট চিহ্নিত করার পর ব্যবসার প্রোডাক্ট এবং সম্পর্ক প্রক্রিয়া তার বয়স আগ্রহ অভ্যাস বিশ্লেষণ করতে হবে, অভ্যাস বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে কি ব্যবহার করা যায়। 

এছাড়া বিভিন্ন প্রয়োজনীয় আকর্ষণীয় ব্যানার তৈরি করতে হবে, বিজ্ঞাপনের ছবি ভিডিও আকর্ষণের টেক্সট ক্যাপশন তৈরি করতে হবে। প্রমোশন বা বিজ্ঞাপনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাপশন চালু করতে পারেন। নিষ্ঠ সোশ্যাল মিডিয়া google বা ইমেইল এর মাধ্যমে প্রচার করতে পারেন। যদি প্রমোশন হবে তাহলে ইনকাম বৃদ্ধি পাবে। 

এনালাইটিকস ব্যবহার করতে হবে রেজাল্ট যা সেই থাকবে। সেই অনুযায়ী আপনাকে কাজগুলো সম্পাদন করতে হবে এবং কনটেন্ট তৈরি করে আপনার এনালিটিক্স এর তথ্য অনুযায়ী কনটেন্ট সাজিয়ে তারপর পাবলিশ করতে হবে এবং বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞাপনে কত টাকা খরচ হলো এবং সেই টাকা কি পরিমাণ ক্লাইন্ট এলো সে বিষয়টা উল্লেখ করতে হবে।

এছাড়া প্রয়োজন উন্নয়ন করতে হবে তাকে অপটিমাইজেশন বলে, কম কার্যকরের জায়গাগুলো চিহ্নিত করে বিজ্ঞাপন কৌশল আপডেট করে আরো উন্নত পর্যায়ে আপনাকে কাজগুলো করতে হবে। ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার হিসেবে করতে চাইলে চাকরির সুবিধা রয়েছে দেশে-বিদেশে ই-কমার্স এজেন্সি ও কর্পোরেট হাউসে প্রচুর পরিমাণ এবং আপওয়ার্ক, ফাইবারের মতো প্ল্যাটফর্ম গুলোতে এসইও করার সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কন্টেন রাইটিং এর কাজ করা যাবে। 

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন 

আপনি কি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন? তাহলে এই তথ্যগুলো দেখুন এবং নেটওয়ার্ক মার্কেটিং জানুন। এই মাল্টি লেভেল মার্কেটিং হলে এমন একটি ব্যবসায়িক মডেল যেখানে কোন প্রতিষ্ঠান বা পণ্য ঐতিহাসিক দোকান বা মিডিয়া বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিক্রি না করে। স্বাধীন বিক্রেতা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সরাসরি বিক্রেতার কাছে পৌঁছায়। 

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর সম্পর্কে

নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এর মাল্টি লেভেলের স্ট্রাকচার এই ছবির মত হবে। এই নেটওয়ার্ক মার্কেটিং যেভাবে কাজ করে। এই ব্যবসায় ইনকাম শুরু মূলত দুটি প্রধান উৎস থেকে আসে। সে প্রধান দুটি উৎস হল সরাসরি বিক্রয় যা কোম্পানির পণ্য নিজে বিক্রি করে নির্দিষ্ট হারে লাভ করা কমিশন পাওয়া যায়। 

  • আরেকটা মাধ্যম রয়েছে ডাউনলোড বা টিম বিল্ডিং নতুন সদস্য বা বিক্রেতার যুক্ত করে নিয়ে গঠন করা সেই টিমের সদস্যদের ভিতরে বিক্রয়ের নির্দিষ্ট শতাংশ কমিশন পাওয়া যায়। নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ যে আরো ধরণ রয়েছে তার নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করা হলো, 
  • সিঙ্গেল লেভেল মার্কেটিং, এখানে শুধু নিজের বিক্রি করা পণ্যের উপর কমিশন পাওয়া যায়। এখানে কোন টিম প্রয়োজন হয় না সরাসরি ডাইরেক্ট সেলিং এর মাধ্যমে ইনকাম হয়। 
  • টু লেভেল বা বাইনারি সিস্টেম, দৃষ্টি সংখ্যার ডিস্ট্রিবিউটর যুক্ত করে দুটি লেভেলের শাখা তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে কমিশন আকারে ইনকাম হতে থাকে। 
  • মাল্টি লেভেল মার্কেটিং, এখানে অনেক দিক লেভেলের নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় এবং টিমের গভীরতা পর্যন্ত ভিত্তি করে তার লাভ দেয়
  • এই কাজগুলো শুরু করার জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে তা দেখে নিন এক নজরে। প্রথমে কোম্পানির নির্বাচন করতে হবে পণ্য কোম্পানির বৈধতা যাচাই করে দেখতে হবে। কোম্পানি কোন বাস্তব বা মান সকলের পণ্য বিক্রি করে কিনা নাকি সদস্য ভর্তি করে টাকা নেই তা দেখতে হবে, এছাড়া প্রতারণার সম্ভাবনা থাকে। 
  • ডিস্ট্রিবিউটর হিসেবে যুক্ত হওয়া স্টার কীট বা পণ্য কেনার সময় কোম্পানির নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কি নেবা মেম্বারশিপ নিয়ে আইডি নেওয়া যায় এবং এখান থেকে ইনকাম হয়। 
  • এছাড়াও আপনাকে পূর্ণ ব্যবহার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। যে কোন প্রচার করবেন সেগুলো নিজের ব্যবহার করে সে সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ও গুনাগুন স্পষ্ট করে ধারণা করে দিলে মানুষ বেশি আগ্রহ প্রকাশ করবে কেনার জন্য।

নেটওয়ার্ক তৈরি ও প্রমোশন কাস্টমার ও টিম মেম্বার খোঁজার মাধ্যমে আপনি কাজটি করতে পারেন। পরিচিত হওয়া অপরিচিত ব্যক্তির কাছে পণ্যের গুণাবলী উপস্থাপন করা এবং যারা কাজ করতে আগ্রহে তাদের টিমে যুক্ত করার মাধ্যমে আপনার নেটওয়ার্ক নিশ্চিত বৃদ্ধি করে বৈধ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অনেক টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

কিছু বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ যা আমাদের ভেবে রাখা উচিত কারণ এখানে সফল হতে প্রচুর ধৈর্য মার্কেটিং দক্ষতার প্রয়োজন। সুতরাং সঠিকভাবে কাজে না লাগাতে পারলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এছাড়াও কম মূল্য হলে শুরু করা যায় এবং কাজের সময় নিজের পছন্দমত নির্বাচন সম্ভব পেশাগত যোগ্যতা দক্ষতা ও সেলফি স্কেল থাকলেই হবে। 

মার্কেটিং অফিসারের কাজ কি

এ সকল কাজগুলো করতে অবশ্যই আপনাকে অফিসারের কাজ সম্পর্কে জানতে হবে। মার্কেট অফিসার এর মূল কাজ হল কোম্পানি পণ্য প্রচার এবং প্রসার ঘটানো। নতুন কাস্টমার আকর্ষণ করা এবং বাজেটে বাজারে ব্যান্ডের ইতিবাচক পরিচিতি তৈরি করা ও একজন মার্কেটিং অফিসার মূল বিক্রয় বেন্ডিং ব্যবস্থা কেন্দ্রে কাজ করে থাকেন।

  • মার্চেন্ট রিসার্চ বাজারে কাস্টমারের চাহিদা পছন্দ মার্কেটে সম্পর্কে তথ্য জানতে হবে।
  • প্রতিযোগী কোম্পানিগুলো কি ধরনের অফার কৌশল ব্যবহার করে তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে। 
  • মার্কেটিং ক্যাম্পেইন স্টার যদি তৈরি করতে হবে নতুন পণ্য বাজারে আনার সময় প্রমোশনাল অফার দিতে হবে।
  • বাজেট অনুযায়ী কোন মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে প্রশমন চালালে বেশি ভালো হবে জানতে হবে। 
  • লিটল ফ্রিজ প্রমোশন পরিচালনা করতে হবে এর মধ্যে ডিজিটাল ওয়েবসাইট এবং আনফিল্ড মাধ্যম রয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়াও রয়েছে। 
  • সকল টিমের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে বিক্রয় টার্গেট পূরণে সহযোগিতা করতে হবে। সম্ভাব্য বর্তমান গ্রাহকের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা করতে হবে, যে কোন সমস্যার সমাধান দিতে হবে। 
  • প্রমোশনাল কনটেন্ট মেমোরিয়াল তৈরি করতে হবে। এতে রাইটারদের সাথে মিলে লিফলেট ব্যানার ক্যাটালগ ও বিজ্ঞাপনের কপি তৈরি করা যায়। 
  • রিপোর্ট তৈরি করতে ফলাফল বিশ্লেষণ করতে এবং সেই অনুযায়ী মার্কেটিং ব্যবস্থা নিয়েত হবে তাহলে বেশি লাভবান ও উচ্চপদ কর্মকর্তাদের রিপোর্ট পূরণ করতে হবে। 

সফল মার্কেটিং অফিসার হতে প্রয়োজন ও দক্ষতার প্রয়োজন তাই ক্লাইন্ট কাস্টমার ও টিমের সাথে সম্পর্ক সুন্দর করে রাখতে হবে। বর্তমান সমাজ সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাড এস এবং অনলাইন ব্র্যান্ডিং পরিচালনা করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর জ্ঞান থাকতে হবে। সমাধনের ক্ষমতা থাকতে হবে, ডাটা এনালাইসিস প্রচার প্রসারন এবং বাজেট হিসাব রাখতে হবে। এ বিষয়গুলো ক্লিয়ার করলে আপনি সফল ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন।

মার্কেটিং এর জনক কে জানুন

আধুনিক মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপনের জনক বলা হয় ফিলিপ কোটলার কে। নিচে তার ছবি দেওয়া আছে। তিনি একজন মার্কিন অধ্যাপক, অর্থনীতিবিদ ও মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ। এছাড়া বিখ্যাত বই তার রচিত মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট রয়েছে যা বিশ্বজুড়ে মার্কেটিং এর জন্য বাইবেল হিসেবে গণ্য করা হয়।

আধুনিক মার্কেটিং বা বিজ্ঞাপনের জনক বলা হয় ফিলিপ কোটলার

তিনি মার্কেটিং কেবল পণ্য ব্যক্তির কৌশল হিসেবে না দেখে একটি কাস্টমার কেন্দ্রিক বিজ্ঞাপন কলা হিসেবে রূপ দিয়েছেন। তিনি মার্কেটিং এর মূল ধারণা দিতে গিয়ে চারটি বিষয়ে স্পষ্ট করেন। Product, price, plese and promotion যা আধুনিকায়নে বিশাল অবদান রাখে। মার্কেটে শিখতে একদিকে বেশি সময় লাগে না কিন্তু এটা দক্ষতা অর্জন করতে সারা জীবন লেগে যেতে পারে ফিলিপ কোটলার বলেছেন।

লেখকের শেষ মন্তব্য মার্কেটিং বিষয়ে 

ইতিমধ্যে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং সহ বিভিন্ন মার্কেটিং এর যে বেসিক থেকে শুরু করে মূল বিষয়গুলো রয়েছে তা জেনেছি। তাই আপনি যদি মার্কেটিং শুরু করতে চান? তাহলে আজকে শুরু করে দিন কারণ উপরের উল্লেখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করে ইতিমধ্যেই অনেক মানুষ তাদের যাত্রা শুরু করেছেন। 

আপনিও যদি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বা মার্কেটিংয়ের কাজ করতে চান? তাহলে আজকের আর্টিকেল থেকে অনুপ্ররণা গ্রহণ করে সেই অনুযায়ী শুরু করে দিতে পারেন। এছাড়াও আরো অনেক ধরনের উপায় ডিজিটাল সময়ে এসে টাকা ইনকাম করা যায়। অনলাইনে ঘরে বসে এ ধরনের আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো জানতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Post Page Ad Right After Title