আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া লিরিক্স ও ইতিহাস জানুন

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া লিরিক্স পেতে আজকের আর্টিকেলটি আপনার জন্য উপস্থাপন করলাম। এছাড়া আপনি জানতে পারবেন গানের লেখক পরিচিতি ও গানের ইতিহাস, যার জন্য এই গানটি জনপ্রিয়।

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া লিরিক্স

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া হলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী হায়দার হোসেনের গাওয়া একটি অত্যন্ত আবেগঘন ও সাড়াজাগানো সামাজিক-সচেতনতামূলক গান। নিচে গানটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি, প্রেক্ষাপট ও মূল ভাবনা আলোচনা করা হলো।

পোস্ট সুচিপত্রঃ আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া লিরিক্স ও ইতিহাস জানুন

ভুমিকা

আমি চিৎকার করিয়া কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার গানটির গীতিকার ও সুরকার হায়দার হোসেন। গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা পাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে গানটি ২০০৯ সালে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পটভূমিতে তৈরি ও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয় এবং পরবর্তীতে তার একটি অ্যালবামে স্থান দেওয়া হয়। 

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া লিরিক্স দেখুন 

এতক্ষণ আমরা গানটির সম্পর্কে যে বিষয়গুলো জানলাম তা থেকে আমরা বুঝতে পারছি যে, গানটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। তাই চলুন এই গুরুত্বপূর্ণ গানটির সম্পূর্ণ লিরিক্স দেখে নিই এক নজরে যা আপনার মনকে শান্তি দিতে পারে। 

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া" গানটির লিরিক্স নিচে দেওয়া হলোঃ

কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত,

কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই

জীবন আলোয় তৃপ্ত।। ২

কত ব্যথা বুকে চাপালেই

তাকে বলি আমি ধৈর্য,,

নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ।।

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে

চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার/২/

বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে

নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার 

আজও কানে ভাসে সেই কথাগুলো

কে জানে হবে যে শেষ কথা,

নিয়তির ডাকে দিলি যে সাড়া

ফেলে গেলি শুধু নীরবতা

যার চলে যায় সেই বুঝে হায়

বিচ্ছেদে কি যন্ত্রণা

অবুঝ শিশুর অবুঝ প্রশ্ন

কি দিয়া দেব সান্ত্বনা। ২।

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে

চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার/২/

বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে

নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার। 

বিধাতা তরে ডাকি বারেবারে

করুন মোরে মার্জনা

দুঃখ সহিতে দিন শক্তি

আপনার সকাশে প্রার্থনা

চাইনা সহিতে আমার মাটিতে

মজলুমের আর্তনাদ,,,

বিষাদ অনলে পুড়ে বারেবারে

লুণ্ঠিত হবে স্বপ্নস্বাদ 

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে

চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার

বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে

নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার।।

কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত,

কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই

জীবন আলোয় তৃপ্ত।।

কত ব্যথা বুকে চাপালেই

তাকে বলি আমি ধৈর্য,,,

নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ।।

সম্পূর্ণ দৃষ্টি পড়ে আপনি অবশ্যই উপকৃত হয়েছেন বলে আশা করি। বর্তমান সময়ে বাস্তববাদী গান অনেকেই পছন্দ করে, তাই আপনিও যদি বাস্তববাদী গান বেশি পছন্দ করেন তাহলে এই গানটি হবে আপনার জন্য অসাধারণ। এছাড়াও এই গানটির সম্পর্কে কিছু অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম। 

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো পোস্টের তালিকা দেখুন

কতটুকু অশ্রু গড়ালে সারসংক্ষেপ

আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাইয়া এই গানটি মানুষের মনের গভীর কষ্ট সামাজিক ভন্ডামী ও অন্যায়ের প্রতিবাদ নিয়ে রচনা করা হয়। এখানে তীব্র আবেগ ও কান্নার বাধা রয়েছে সে বিষয়ে বলা হয় যে মানুষ ইচ্ছা করলেও কাঁদতে পারেনা। সত্যের অপমৃত্যু মিথ্যাচার যেখানে সত্যকে সহজেই অস্বীকার করা যায়।

অথচ মিথ্যাকে কত চমৎকারভাবে অলংকার দিয়ে সাজিয়ে সবার সামনে তুলে ধরা হয়। এছাড়াও সমাজে অন্যায় বা পাপ কাজ করে ক্ষমতার জোরে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতা কথাও তুলে ধরা হয়েছে। মানবীয় সম্পর্কের প্রতি হতাশা ভালোবাসা, অনুভূতি এবং আপনজনদের পাশে দাঁড়ানোর যে অভাব সমাজ তা দেখা যায়। 

শেষ মন্তব্য 

আসলে এই গান মানুষের হৃদয়ের কথা বলে, মানুষটার অনেক না বলা কষ্ট বেদনা ভালোবাসা অনুভূতিগুলোকে গানের মাধ্যমে প্রকাশ করে যে, কথাগুলো সে কখনোই কাউকে বলে উড়তে পারে না। এছাড়াও গানটি কেবল ব্যক্তি সত্তার কান্না নয় বরং চারপাশের অন্যায় অসঙ্গতি ও হৃদয়হীন সমাজের বিরুদ্ধে এক নিরবিচ্ছিন্ন হাহাকার ও প্রতিবাদের রূপক।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Post Page Ad Right After Title