আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স সম্পুর্ণ দেখুন

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স দেখুন যা এই বাংলাদেশের জন্য এক অন্যন্য পরিচিতি। আপনি আজকের এই আর্টকেলটি থেকে জেনে নিন এই সংগীতের আসল রহস্য।

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স সম্পুর্ণ দেখুন

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে এই গানের প্রথম ১০ লাইন আনুষ্ঠানিক ভাবে গৃহিত করা হয়। আর এই বিখ্যাত কবিতাটি প্রথম ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দিক থেকে তুলে ধরা হয়।

পোস্ট সুচিপত্রঃ আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গানের ইতিহাস ও যা জানবেন

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স সম্পুর্ণ দেখুন

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স  যার ১০ লাইন বাংলাদেশের জন্য জাতীয় সংগীত হিসেবে ধরা হয় ১৯৭২ সাল থেকে তাই আপনি চাইলে এই গানের সম্পুর্ণ লিরিক্স দেখে নিন যা আপনার অনেক সময় কাজে লাগতে পারে। নিচের রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি। 

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স সম্পুর্ণঃ

💖💖আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।

চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥

ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,

মরি হায়, হায় রে—

ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥

💖💖

কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—

কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।

মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,

মরি হায়, হায় রে—

মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥

💖💖

তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,

তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।

তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,

মরি হায়, হায় রে—

তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥

💖💖

ধেনু-চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,

সারা দিন পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,

তোমার ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,

মরি হায়, হায় রে—

ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥

💖💖

ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—

দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।

ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,

মরি হায়, হায় রে—

আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি।।

এই ছিল আমাদের জাতীয় সংগীত যা বাংলার মাটিতে প্রতিদিন মানুষের মুখে মুখে মনে প্রানে বেজে চলেছে। আমার সোনার বাংলা বাংলাদেশের সংগীত তবে এই গানটি বাউল গায়ক হরকরার গগন চন্দ্র দাস যা এই গান। আমি কোথায় পাব তারে এখান থেকে নেওয়া হয়েছে সুর ও সংগীত উদ্ভুত।

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো কিছু পোস্ট দেখুন

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গানের ইতিহাস

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গানের ইতিহাস জানুন। এই গান আমাদের দেশের জাটিয় সংগীত তাই এর সম্পর্কে জানা আমাদের প্রয়োজন মনে হলে আপনি এই তথ্য গুলো দেখতে পারেন। এই গানের সঠিক সময় জানা যায়নি তবে সত্যেন রায়ের রচনা থেকে এটা জানা যায় যে, ১৯০৫ সালে ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় এই গানটি প্রথম পরিবেশন করে।

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গানের ইতিহাস

এই বছর ৭ সেপ্টেম্বর বা ১৩১২ বঙ্গাব্দের ২২ ভাদ্র সঞ্জীবনী পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের স্বাক্ষরে  গানটি মুদ্রিত হয়। এরপর বছর বঙ্গদর্শন পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যাতেও গানটি মুদ্রিত হয়েছিল। তবে ৭ আগস্ট উক্ত সভায় এই গানটি গীত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে বিশিষ্ট রবীন্দ্রজীবনীকার প্রশান্তকুমার পালের মতে, আমার সোনার বাংলা ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ আগস্ট কলকাতার টাউন হলে অবস্থা ও ব্যবস্থা প্রবন্ধ পাঠের আসরে প্রথম গীত হয়েছিল বলেও জানা যায়।

সোনা শব্দটি যার অর্থ স্বর্ণ এবং এর আক্ষরিক অর্থ স্বর্ণের অন্তগর্ত বা স্বর্ণ দিয়ে তৈরি। তবে গানের মধ্যে এই কথা গুলো ব্যবহার করা হয়। বাংলার ও বাংজ্ঞালির মুল্যবোধ প্রকাশ করতে। রবীন্দ্রনাথের বঙ্গভঙ্গ সমসাময়িক অনেক স্বদেশী গানের সুরই এই স্বরলিপি গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছিল। তবে ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতে পূর্ববঙ্গের বাউলদের ভিডমিড ও ভাটিয়ালি সুরের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ইতঃপূর্বেই পরিচয় হয়েছিল। 

১৮৮৯-১৯০১ সময়কালেও বঙ্গের পূর্বদিকে বিভিন্ন অঞ্চলে জমিদার কাজে ভ্রমণ ও বসবাসার সময় দেশীয় লোকজ সুরের সঙ্গে তার আত্মীয়তা ঘটে। তারই অভিপ্রকাশ রবীন্দ্রনাথের স্বদেশী আন্দোলনের সমসাময়িক গানগুলো, বিশেষত আমার সোনার বাংলা। আর ১৯০৫ সালে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর “বাউল” নামক গ্রন্থে গানটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

লেখকের শেষ কথা আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি লিরিক্স

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি গানের ইতিহাস লিরক্স ও গানের মুল বিষয় গুলো উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি। ২০১৪ সালে ২৬ মার্চ বাংলাদেশে ঢাকাতে শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত প্যারেডে ময়দানে এক্সংগে ২,৫৪,৫৩৭ জন জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাদ্ধ্যে গিনেজ বিশ্ব রেকর্ড করে।

তবে এই রেকর্ড ২০১৭ সালে ২১ জানুয়ারি এই রেওর্ড ভেংগে ফেলে ভারত। এর পর শিল্পকলা সম্পর্কিত দ্য আর্টস ডেস্ক নামক একটি ব্রিটিশ সাংবাদিকতা ওয়েবসাইট ২০১২ সালে স্বর্ণপদক পাওয়ার যোগ্য ১০ টা দেশের জাতীয় সংগীতের তালিকা করে। যেখানে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত আমার সোনার বাংলা স্থান পায়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Post Page Ad Right After Title