ফোন হ্যাক হলে করণীয় কি ও ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার ৭টি উপায় জানুন

আপনার ব্যবহৃত অ্যাপস ও wi-fi থেকে ব্যবহৃত বিভিন্ন সময় হ্যাক হয়ে থাকে, ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় তা হলে কি করনীয় জেনে নিন। ফোন হ্যাক হলে বোঝার উপায়।  

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়

ফোন হ্যাক হলে করণীয় কি, সিম হ্যাক বন্ধ করার নিয়ম, হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হলে কিভাবে বুঝবো এবং এর সমাধান জেনে নিন। 

পোস্ট সূচিপত্রঃ ফোন হ্যাক হলে করণীয় কি ও ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়  

ভূমিকা 

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় বিভিন্ন হ্যাকিং সম্পর্কে আগে আমাদের কিছু জ্ঞান অর্জন করা উচিত। কি কি কারণে হ্যাক হতে পারে এবং কিভাবে বুঝবেন এবং সে লক্ষণ গুলো সম্পর্কে আজকের আর্টিকেল থেকে বিস্তারিত আলোচনা করবো। অনেক সময় দেখা যায় মানুষের হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়ে যায়। 

এই সমস্যাগুলোর সমাধান খুব সহজেই পাওয়ার জন্য আজকের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। ধারাবাহিকভাবে সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। বর্তমান সময়ে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে মানুষ সকলেই মোবাইল এবং বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করছে তাই এগুলো নিরাপত্তা দিতে যে বিষয়গুলো আপনার জানা উচিত। 

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় জানুন

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় রয়েছে যে উপায় গুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার হাতে থাকা ফোনটিকে ১০০% নিরাপদ রাখতে পারবেন। অনেকেই ফোন হ্যাক হয়ে বিভিন্ন প্রতারণার শিকার হয়। এখানে এ বিষয়গুলো সম্পর্কে জানানো হবে যাতে আপনার ফোন হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায় এবং কোনভাবে হ্যাক হলেও এটা আপনি যেন বুঝতে পারেন। 

প্রথমে আপনাদেরকে জানাবো ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় গুলো। আজকে আপনাদেরকে জানাতে যাচ্ছি সাতটি উপায় যে উপায় গুলো ব্যবহার করলে আপনি খুব সহজে আপনার ফোনটি হ্যাক হওয়া থেকে বিরত বা নিরাপদে রাখতে পারবেন। এর জন্য যা যা করতে হবে চলুন নিয়ম অনুযায়ী দেখে নিন। 

প্রথম পদক্ষেপঃ আপনাকে আপনার ফোনের সেটিং অপশনে যেতে হবে এবং সেখান থেকে about phone এর মধ্যে প্রবেশ করতে হবে এবং কোন আপডেট আছে কিনা দেখতেও যদি আপডেট দিতে বলে তাহলে সরাসরি সেই আপডেট দিয়ে দিতে হবে। 

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়

দ্বিতীয় পদক্ষেপঃ এখানে সেটিং এর মধ্যেই আপনি পেয়ে যাবেন system apps updater এখানে কোন আপডেট চাইলে আপনাকে অবশ্যই আপডেট দিচ্ছ আর যদি আপডেট না চাই, তাহলে আপনাকে নোটিফিকেশন দেখাবে all system apps are up to date. এই দুইটি বিষয়ে অবশ্যই আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে প্রথমত।  

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়

তৃতীয় পদক্ষেপঃ এখানে সেটিং থেকে আপনি চলে যাবেন সরাসরি passwords and security অপশনে সেখানে এখানে স্ক্রীন লক ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক এবং বিভিন্ন লক থাকে আপনি সব লক গুলো ব্যবহার করতে পারেন। যা আপনার সিকিউরিটি সিস্টেম কি আরো শক্তিশালী করবে, কারণ এন্ড্রয়েড ফোনের সিকিউরিটি সিস্টেম দুর্বল হয় যার কারণে কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময় পর পর এটা আপডেট করে।  

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়
 

চতুর্থ পদক্ষেপঃ অ্যাপ পারমিশন চাই অনেক সময় গুগল প্লে স্টোর থেকে বিভিন্ন অ্যাপস ডাউনলোড দেওয়ার সময় এ ধরনের পারমিশন চাই তাই আপনাকে অবশ্যই পারমিশন গুলো দেওয়ার সময় সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতনতা অবলম্বন করতে হবে। এর জন্য আপনাকে সেটিং থেকে অ্যাপস এর ভিতরে প্রবেশ করতে হবে। 

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়

এই পর্যায়ে আরো কিছু কাজ থেকে যায় যেমন আপনি যখন কোন অ্যাপস বা গেম ডাউনলোড করবেন তখন অবশ্যই আপনাকে বিভিন্ন ধরনের পারমিশনের প্রয়োজন হবে না কিন্তু ক্যামেরা বা বিভিন্ন পারমিশন চায় তাহলে অবশ্যই সেগুলো থেকে দূরে থাকুন। পারমিশন চেক করার জন্য আপনাকে ফোনের সেটিং এ গিয়ে পারমিশন অপশন এর ভিতরে ঢুকতে হবে। 

আরো পড়ুনঃ সকল সিমের মালিকানা পরিবর্তন করার নিয়ম - সিমের মালিকানা চেক করার উপায় জানুন  

এবং সেখান থেকে আপনি খুব সহজে পারমিশন দেওয়া পারবেন বন্ধও করতে পারবেন। সেখানে যাওয়ার পর আপনার সামনে তিনটা অপশন আসবে, নেটে সেগুলোর ছবি দেখা হলো সেখান থেকে don't allow করে দিতে হবে যেটা আপনি পারমিশন দিতে চাচ্ছেন না তাহলেই হ্যাক থেকে বাঁচার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। 

পঞ্চম পদক্ষেপঃ এর জন্য আপনাকে প্রথমে গুগল প্লে স্টোরে চলে যেতে হবে। এরপর আপনাকে ডান পাশের প্রোফাইল পিক এর উপর ক্লিক করতে হবে। এখানে গেলে আপনি দেখতে পাবেন play protect এর ভিতরে প্রবেশ করবেন। এরপর সেটিং আইকনে ক্লিক করবেন। 

এরপর এই অপশনের মধ্যে প্রবেশ করলে আপনি দুইটা অপশন দেখতে পাবেন, general scan apps with play protect. এবং নিচে দেখতে পাবেন, improve harmful apps direction এই দুইটা অপশন অন করে রাখবেন যদি আপনার অফ অবস্থায় থাকে সে ক্ষেত্রে। এবং স্ক্যানিং করে দেখে নিবেন যে সেগুলো ঠিক আছে কি।  

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায়

ষষ্ঠ পদক্ষেপঃ বিভিন্ন সময়ে আমরা ফোনে যে অ্যাপস গুলো ব্যবহার করি বা এক কথায় ফেসবুক ইউটিউব বিভিন্ন অ্যাপস সেগুলো ব্যবহার করার সময় আপনাকে অবশ্যই টু ফ্যাক্টর অর্থনীতি ব্যবহার করতে হবে। এবং আরো একটি ভালো পদক্ষেপ নিতে হবে সেটা হচ্ছে আপনার জিমেইল একাউন্টে টু ফ্যাক্টর অর্থনীতি ব্যবহার করতে হবে তাহলে এটা হ্যাক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। 

সপ্তম পদক্ষেপঃ বিভিন্ন সময়ে আমরা বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে বা ঘুরতে গিয়ে দেখি ফ্রি ওয়াইফাই থাকে। সেগুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে অনেকটা রিস্ক থাকে তবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন এর পূর্বে আপনাকে একটি কাজ করতে হবে সেটা হলো যে কোন শক্তিশালী ভিপিএন ব্যবহার করতে হবে। আমি একটি সাজেস্ট করতে পারি যেমন 1111 ভিপিএন। তাহলে আইপি এড্রেস চেঞ্জ হবে এবং সহজেই কোন হ্যাকার হ্যাক করতে পারবে না। 

এছাড়া আরো কিছু বিষয় রয়েছে যে বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনাদেরকে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। আপনার প্রয়োজনের বেশি বা যেগুলো অ্যাপস আপনি ব্যবহার করেন না সেই অ্যাপস গুলো অবশ্যই আপনার ফোন থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। অপসর সোর্স থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে। অপরিচিত লিংকে ক্লিক করা যাবে না। অ্যাপ্লিকেশন ও এস এস আপডেট করতে হবে। তাহলে আপনার ফোন আপনি হ্যাকের হাত থেকে বাঁচাতে পারবেন। 

আপনার পছন্দ হতে পারে এমন আরো পোস্ট দেখুন

ফোন হ্যাক হলে বোঝার উপায় 

ফোন হ্যাক হলে বোঝার উপায় আমরা সহজেই বুঝতে পারি না। তাই কিভাবে আপনি ফোন হ্যাক হলে বুঝবেন সে বিষয়গুলো সম্পর্কে এক নজরে জেনে নিন। সাধারণত আমরা বিভিন্ন সময় ফোন বিভিন্নভাবে বিভিন্ন অ্যাপস এবং সাইড লগইন করে ফেলি। এর কারণে আমরা অনেক সময় না জানতেই হ্যাকের শিকার হয়ে যাই। হ্যাকের শিকার হলে আমাদের গোপন তথ্য এবং বিভিন্ন সময় তারা আমাদেরকে ট্যাগ করতে পারবে।

  • এই সমস্যা থেকে বাঁচতে আপনাকে যেই লক্ষণ গুলো দেখে বুঝতে হবে যে মোবাইল হ্যাক হয়েছে কিনা। সেই লক্ষণগুলো নিচে উপস্থাপন করা হলো আপনি পর্যায়ক্রমে দেখে নিন এবং সতর্কতার সাথে আপনি ফোন ব্যবহার করুন। ফোন হ্যাক হওয়ার প্রধান লক্ষণ সমূহ। 
  •  দ্রুত ব্যাটারি চার্জ ফুরিয়ে যায়। এর কারণ হলো ব্যাকগ্রাউন্ডে মেলওয়ার বা চলার কারণে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে থাকে।
  • অস্বাভাবিক ডেটা খরচ, আপনার ফোন যদি হ্যাক হয় তাহলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য বা ভিডিও সার্ভারে পাঠানোর ফলে ডেটা প্ল্যান দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। এক কথায় আপনার প্রয়োজনের তুলনায় আপনার ডাটা খরচ বেশি হবে।
  •  মোবাইল ফোন ধীর গতি সম্পন্ন ও অতিরিক্ত গরম হয়ে যাবে। কারণ ফোন অতিরিক্ত গরম হয় এবং কোন কারণ ছাড়া হ্যাক হওয়ার কারণে ধীর গতি ও অতিরিক্ত সমস্যা দেখা দেয়। আপনার ফোন যদি বিনা কারণে অতিরিক্ত গরম এবং দ্রুত চার্জ ফুরিয়ে যায় সেক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত উপায় গুলো ব্যবহার করতে হবে।
  • বিভিন্ন সময় অজানা অ্যাপস বা পপ্যাপ আপনার ইন্সটল না করা অ্যাপ ফোনে দেখা যাবে বারবার এবং বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখাবে এগুলো হ্যাকিং হওয়ার একটি লক্ষণ। 
  • অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যাবে। ফোনে অনেক সময় দেখবে যে নিজে নিজে চালু হচ্ছে বন্ধ হচ্ছে এবং বিভিন্ন নাম্বারে কল যাচ্ছে বা বিভিন্ন অ্যাপস গুলো ঘাটাঘাটি করছে। এরকম সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই আপনার ফোন হ্যাকের শিকার হয়েছে তাই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া বা অজানা লিংক গুলো বন্ধ করে দিন। 
  • দ্রুততার সাথে আপনার ফোনের স্টোরেজ এর জায়গা কমে যাবে। প্লে স্টোর হঠাৎ কমে গেলে বুঝতে হবে লুকানো কোন ফাইল অ্যাপ জায়গা নিচ্ছে যা আপনার ফোনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য করে। কিন্তু আপনি এই বিষয়টি বুঝতে পারবেন না তাই এই লক্ষণগুলো দেখেই বুঝে নিতে হবে। 

এই সমস্যাগুলো দেখলে আপনি অবশ্যই আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন। অপরিচিত অ্যাপস ডিলিট করে দিবেন, এন্টিভাইরাস স্ক্যান করবেন এবং প্লে প্রটেক্ট ব্যবহার করবেন। এক কথায় উপরে উল্লেখিত প্রক্রিয়া গুলো ব্যবহার করলে আপনি হ্যাকের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। তাই সতর্কতার জন্য সন্দেহজনক অপরিচিত উই ফি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। 

ফোন হ্যাক হলে করণীয় সম্পর্কে সচেতন হোন

ফোন হ্যাক হলে করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের অবশ্যই জেনে রাখা উচিত। আপনার ফোন যদি হ্যাক হয়ে যায় তাহলে আপনাকে অবশ্যই রিস্টার্ট দিতে হবে। এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস গুলো ডিলিট করে দিতে হবে এবং স্টোরেজ খালি রাখতে হবে। মেমোরি ক্লিয়ার করুন এবং সফটওয়্যার আপডেট রাখুন এটা আপনার ফোন হ্যাক হওয়া থেকে বাঁচাবে।  

ফোন হ্যাক হলে করণীয় সম্পর্কে সচেতন হোন

ক্যাশ ক্লিয়ার রাখুন বিভিন্ন সফটওয়্যার আপডেট রাখুন এবং আপনার ফোন যদি এমনিতেই বেশি গরম হয় তাহলে ব্যাক কভার ব্যবহার করা বন্ধ করুন এতে আপনার ফোন বেশি গরম হলে হ্যাক হওয়ার সম্ভাবনা কবলে পারে। এছাড়াও আপনি আরেকট কাজ করতে পারেন সেটা হচ্ছে ফ্যাক্টরি রিসেট সব উপায় ব্যর্থ হলে ফোনের গুরুত্বপূর্ণ ডাটা ব্যাকআপ রেখে এই কাজটি করুন। 

সিম হ্যাক বন্ধ করার নিয়ম জানুন 

সিম হ্যাক বন্ধ করার নিয়ম রয়েছে যেগুলো জানলে আপনার সিম কখনোই অন্য কেউ ব্যবহার করতে পারবে না। জিম্বা মোবাইল হ্যাক থেকে রক্ষা পেতে আপনাকে পড়ে উল্লেখিত বিষয়গুলোর পাশাপাশি এখন যে কাজগুলো বলবো তা অবশ্যই করে রাখতে হবে। 

  • প্রথমে আপনাকে কল বা ডাটা ফরওয়ার্ডিং বন্ধ করতে হবে। যদি মনে করেন আপনার বা মেসেজ অন্য নাম্বারে যাচ্ছে তবে দ্রুত ফোনের ডায়াল প্যাড থেকে ##002#ডায়াল করতে হবে। এর মাধ্যমে কল ফরওয়ার্ডিং বন্ধ হয়ে যাবে। 
  • এছাড়া আপনি সিম কার্ড লক চালু করা রাখতে পারেন। সিমটি যাতে অন্য ফোনে নিয়ে ব্যবহার করতে না সেজন্য  সিমের পিন সেট করুন। যাতে অন্য কোন ফোনে আপনার সিমটি ব্যবহার করতে না পারে। 
  • এরপর আপনি settings>security>sim card lock এর মধ্যে প্রবেশ করুন।

SIM lock sim card অপশনটি চালু করুন এবং একটি পিন সেট করে রাখুন। উপায় গুলো ব্যবহার করলে আপনার সিম হ্যাক হওয়ার হাত থেকে ১০০% নিরাপদ থাকবে। এছাড়াও আপনি সরাসরি যে সিম ব্যবহার করছেন তার কাস্টমার কেয়ারে গিয়েও সিমের হ্যাক এর বিষয়ে জানিয়ে তাদের থেকে সঠিক ভাবে ঠিক করে নিতে পারবেন। 

সিম হ্যাক হলে করণীয় বিষয়গুলো দেখুন 

আপনার সিম হ্যাক হলে করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে জানা উচিত কারণ সিম হ্যাক হলে আপনার সিম ব্যবহার করে আপনার অজান্তেই মানুষ বিভিন্ন ক্রাইম খারাপ কাজের সাথে জড়িত হয়ে। শেষে আপনাকে ফাঁসি দিতে পারে। সেজন্য সিম হ্যাক হলে প্রথম করণীয় কাজ হচ্ছে। উপরে উল্লেখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করে। সরাসরি যে সিম ব্যবহার করছেন তাদের কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করা।  

আরো পড়ুনঃ ওয়াইফাই কানেক্ট করার সফটওয়্যার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন 

তাদের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই সিম হ্যাক হলে করণীয় উপায় গুলো জেনে অথবা তাদের মাধ্যমে আপনার হ্যাক এর সমস্যা সমাধান করে নিতে পারবেন। একজন সচেতন মানুষ হিসেবে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে কি করা উচিত। সিম হ্যাক হলে এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে আপনার বিপদ কমে যাবে বলে আশা করা যায়। 

মোবাইল হ্যাক করলে কি করব জানুন

মোবাইল হ্যাক হলে কি করব এই বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আপনি উক্ত বিষয় গুলো ভাল করে ব্যবহার করলে অবশ্যই মোবাইল ফোন হ্যাক হওয়ার থেকে বিরত থাকতে পারবেন। আর যদি আপনার ফোনটি হ্যাক হয়ে যায় তাহলে ওকে উল্লেখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করলে পুনরায় আপনি আপনার ফোনকে আপনার আয়ত্তে পেয়ে যাবেন।  

মোবাইল হ্যাক করলে কি করব জানুন

সাধারণ মানুষের সমস্যা নিয়ে বেশি হব তাই তাদের জন্য এক্সট্রা অর্ডিনারি তথ্যগুলো উপস্থাপন করেছে যাতে মোবাইল হ্যাক হলে কি করব সেই বিষয়ে আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং সহজে সমাধান করতে পারেন। সাধারণত যে পারমিশন বা অ্যাপস গুলো আপনার ফোনে ব্যবহৃত হয় তা পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে ডিলিট অথবা আনইন্সটল করে দিতে হবে। তাহলে আপনি ফোন হ্যাক হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারবেন। 

হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হলে কিভাবে বুঝব 

হোয়াটস অ্যাপ হ্যাক হলে কিভাবে বুঝব এবং কি কি লক্ষণ থাকবে সেই বিষয়গুলো জানবো কি করে। চলুন জেনে নিয়ে যাক হোয়াটসঅপ হ্যাক হলে কিভাবে বুঝবেন এবং কি সমাধান করবেন। সারা বিশ্বে ৩০০ কোটি ব্যবহারকারী রয়েছে যারা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে। বর্তমানে হ্যাকারদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য পরিণত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবসায়ীদের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা। 

কারণ হোয়াটসঅ্যাপ টা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং এটুল থাকার পরেও বিভিন্নভাবে কৌশলে ব্যবহারকারী একাউন্ট হ্যাক করে বা তথ্য চুরি করে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয় যেমন আপনার একাউন্ট করে আপনার নামে আপনার পরিচিত লোকদের কাছ থেকে টাকা চাওয়া এবং বিভিন্নভবে প্রতারিত করা।

এর জন্য কিছু লক্ষণ আছে যে লক্ষণগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়েছে কিনা। স্বাভাবিক বার্তা কার্যকলাপ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটা যদি ঘন ঘন অপরিচিত ব্যক্তিদের বার্তা আসে নিজেদের পাঠানো বার্তায় নতুন তথ্য ছবি যুক্ত হয়। 

অবশ্য স্মার্টফোন কম্পিউটার থেকে লগইন থাকে। একটি বিশেষ গোপন ব্যবস্থা রয়েছে। যদি কোন অচেনা স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে তাহলে বুঝবেন গোপনে কেউ আপনার হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে। এক্ষেত্রে আপনাকে whatsapp-এর লিংক ডিভাইস অপশন থেকে কোন না কোন যন্ত্র থেকে আপনার whatsapp-এ তা বুঝতে পারবেন এবং শনাক্ত করতে পারবেন। 

প্রোফাইলের তথ্য পরিবর্তন হতে পারে বিভিন্ন সময় নাম বায়োটিক তথ্য এবং বিভিন্ন একাউন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনগুলো হয়ে থাকে। এছাড়াও স্মার্টফোনের ধীরগতি দেখা দিলেও এই সম্ভাবনা থাকে যারা হোয়াটস অ্যাপ হ্যাক হয়েছে। এছাড়াও আপনার ফোনে চার্জ কমে যাচ্ছে বা দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে। এমন সমস্যা হলে অবশ্যই বুঝবেন আপনার হোয়াটসঅ্যাপ এ সমস্যা রয়েছে। 

পরিচিত তাদের কাছ থেকে সতর্কবার্তা ব্যবহার করার সময় আপনার বন্ধু এবং আপনার একাউন্ট যারা চিনে বা আপনাকে যারা জানে চিনে তাদেরকে সহ স্পষ্ট ভাষায় এই বিষয়টি জানিয়ে দিতে হবে। এবং সবাই যেন সতর্কতা হয় সে বিষয়ে জানাতে হবে এবং আপনি চাইলে আপনার ফোনের বিভিন্ন সেটিং রয়েছে যেগুলো পরিবর্তন করতে পারেন। 

হ্যাক হয়ে যাওয়া whatsapp-এ ফিরে পাবেন 

হ্যাক হয়ে যাওয়া হোয়াটসঅ্যাপ একাউন্ট কিভাবে উদ্ধার করবেন সে বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সামনে একটি নিরাপদ। কাজটি অত্যন্ত সহজ তাই আপনার হ্যাক হওয়া whatsapp-এ বেশ কার্যকরী। ফোন নম্বর দিয়ে পুনরায় লগইন করতে হবে এবং এসএমএস বা ফোন কলের মাধ্যমে প্রাপ্ত ছয় অঙ্কের কোড ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করতে হবে।

যদি হ্যাকাররা দুই স্তরের ভেরিফিকেশন চালু করে থাকে তাহলে সাত দিন অপেক্ষা করতে হবে হ্যাকারদের কাছ থেকে একাউন্ট নিরাপদে রাখতে দুই স্তরে ভেরিফিকেশন সুবিধা ব্যবহারের পাশাপাশি সন্দেহজনক বার্তা এবং অজানা লিংক করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তাহলে আপনি খুব সহজে আপনার হ্যাক হওয়া একাউন্ট ফিরে পাবেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন হ্যাকিং সম্পর্কে 

প্রশ্নঃ হ্যাক হলে প্রথমে কি করতে হবে? 

উত্তরঃ আপনার কম্পিউটারের নিরাপত্তা সফটওয়্যারটি হালনাগাদ আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে এবং স্ক্যান চালান। স্কেলে কোন ছন্দের জনক সফটওয়্যার শনাক্ত হলে সেটা মুছে ফেলুন বা আনইন্সটল করে ফেলে দেন।

প্রশ্নঃ বিভিন্ন ধরনের হ্যাকিং কি কি? 

উত্তরঃ হ্যাকিং সাধারণত হ্যাকার উদ্দেশ্য কর্ম পদ্ধতি ওপর ভিত্তি করে কত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। হোয়াইট হ্যাট, ব্ল্যাক হ্যাট, গ্রে হ্যাট এছাড়াও কাদের ধর্ম অনুযায়ী ওয়েবসাইট হ্যাকিং নেটওয়ার্ক হ্যাকিং ইমেইল হ্যাকিং পাসওয়ার্ড হ্যাকিং সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মত বিভিন্ন হ্যাকার পদ্ধতি রয়েছে। 

প্রশ্নঃ ইথিক্যাল হ্যাকার কাকে বলে? 

উত্তরঃ এথিকাল হ্যাকার হোয়াইট হ্যাকার হলেন এমন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, যারা কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে বৈধভাবে তাদের কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা অ্যাপ্লিকেশন দুর্বল বা নিখুঁত ভাবে ত্রুটি বের করে। এর কারণ হলো নিরাপত্তা বের করা এবং বিভিন্ন হ্যাকারের হাত থেকে রক্ষা করা। 

প্রশ্নঃ সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করার উপায়? 

উত্তরঃ আপনার ব্যাংক একাউন্টের বিমানের মত সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য কখনো প্রকাশ করবেন না। বিভিন্ন পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন অর্থাৎ বা এমন কোনো তথ্য দেবেন না যাতে আপনার পাসওয়ার্ড সম্পর্কে সূত্র পাওয়া যায়। এবং আপনার ফোন স্টোরেজ ফুল লোড রাখবেন না। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস ব্যবহার করবেন না। 

প্রশ্নঃ সোশ্যাল মিডিয়ায় 555 নিয়ম কি? 

উত্তরঃ এটি সহজ দৈনিক কৌশল পাঁচটি প্ল্যাটফর্ম পাঁচটি পদক্ষেপ পাঁচটি ম্যাট্রিক্স আপনার ব্যান্ডের সাথে মানানসই প্ল্যাটফর্মগুলোতে মনোযোগ দিন এবং প্রতিদিন উদ্দেশ্যমূলকভাবে উপস্থিত থাকুন। এতে দৈনিক সম্পৃক্ততা পেট বিজ্ঞাপন ছাড়া রিচ বাড়ায় এবং অ্যালগরিদম প্রকৃত মিনিস্টার কে পুরস্কৃত করে। 

প্রশ্নঃ সোশ্যাল মিডিয়া চেক করা কি ওসিডি বাধ্যতামূলক হতে পারে? 

উত্তরঃ অনলাইনে ভুল করার এক ধরনের আবেগ পূর্ণ চিন্তা দূরত চক্র শরু করতে পারে। যা আপনি অতিরিক্ত যাচাই করা পোস্টগুলো মুছে ফেলার মত বাধ্যতামূলক আচরণ দিকে পরিচালিত হন। 

লেখক এর শেষ মন্তব্য ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় 

ফোন হ্যাক থেকে বাঁচার উপায় জানানো হয়েছে এটিই ফোন হ্যাক হলে কিভাবে বুঝবেন সেই বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়েছে এবং বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে কিভাবে আপনার ফোনটি সঠিক ব্যবহার করে নিরাপদ রাখবেন। কারণ বর্তমান সময়ে বিভিন্ন অ্যাপস এবং বিভিন্ন বিষয়ের সাথে আমরা জড়িত মোবাইলের মাধ্যমে। 

সে দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা এগুলো ব্যবহার করি তাই আমাদেরকে অবশ্যই সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে এই জন্যই এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে যে, কিভাবে আপনার ফোনটিকে হ্যাক থেকে বাঁচাবেন এবং হ্যাক হলে কি কি উপায়ে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার ফোনটি হ্যাক হয়েছে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মুক্তআঁখি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Post Page Ad Right After Title